ম্যাচ ফিক্সিং এবং দায়িত্ব Quiz

ম্যাচ ফিক্সিং এবং দায়িত্ব Quiz
ম্যাচ ফিক্সিং এবং দায়িত্ব থিমে একটি কুইজ রয়েছে যা ক্রিকেট খেলাধুলায় ফিক্সিংয়ের সংজ্ঞা এবং এর প্রভাবের উপর আলোকপাত করে। কুইজে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের কারণে স্পোর্টসের সততা বিপন্ন হয়, খেলোয়াড়দের মানসিক স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক প্রভাবের পাশাপাশি প্রাক্তন এবং বর্তমান খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার সম্ভাবনা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাশাসনিক সংস্থাগুলি ম্যাচ ফিক্সিং প্রতিরোধে কীভাবে কাজ করে এবং দর্শকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়া, ম্যাচ ফিক্সিংয়ের আইনগত পরিণতি, প্রযুক্তির ভূমিকা এবং মিডিয়ার অভিযানও এ কুইজে তুলে ধরা হয়েছে।
Correct Answers: 0

Start of ম্যাচ ফিক্সিং এবং দায়িত্ব Quiz

1. ম্যাচ ফিক্সিং কি?

  • খেলার জন্য নতুন আইন করা।
  • নতুন খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ দেওয়া।
  • একটি খেলাধুলার ফলাফল ব্যক্তিগত লাভের জন্য বদলানো।
  • খেলার পরিবেশ উন্নত করা।

2. সাধারণত কাদের মধ্যে ম্যাচ ফিক্সিং ঘটে?

  • প্রাক্তন খেলোয়াড়েরা
  • ক্রীড়া সাংবাদিকরা
  • শুধুমাত্র দর্শকরা
  • খেলোয়াড় এবং কোচরা


3. ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সাধারণ পদ্ধতিগুলি কী কী?

  • ম্যাচের ফলাফল পরিবর্তন করা
  • সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া
  • খেলোয়াড়দের ঘুষ দেওয়া
  • কাউকে জিততে সাহায্য করা

4. ম্যাচ ফিক্সিংকে গুরুতর অপরাধ হিসাবে ভাবার কারণ কী?

  • এটি ক্রীড়াবিদদের মধ্যে বন্ধুত্ব বাড়ায়।
  • এটি ক্রীড়ার খরচ কমায়।
  • এটি ক্রীড়ার সততা নষ্ট করে এবং জনসাধারণের বিশ্বাসহানির কারণ হয়।
  • এটি একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত সুখ বৃদ্ধি করে।

5. ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য খেলোয়াড়দের শাস্তি কী কী হতে পারে?

  • অন্যতম খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা
  • ম্যাচ হারানো
  • স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  • স্বর্ণপদক জয়ী হওয়া


6. কিভাবে খেলা সংস্থাগুলি ম্যাচ ফিক্সিং সনাক্ত করে?

  • ম্যাচের দৃশ্য পর্যবেক্ষণ করে
  • দর্শকদের প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনা করে
  • খেলা শুরু হওয়ার আগে খেলোয়াড়দের সাক্ষাৎকার নিয়ে
  • পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের মাধ্যমে

7. বুকমেকারদের ম্যাচ ফিক্সিং সনাক্তকরণের ভূমিকা কী?

  • বুকমেকাররা খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করে।
  • বুকমেকাররা প্রতিযোগিতার শৃঙ্খলা নির্ধারণ করে।
  • বুকমেকাররা খেলার ফলাফল অনুমান করে।
  • বুকমেকাররা সন্দেহজনক বাজির প্যাটার্ন রিপোর্ট করে।

8. ম্যাচ ফিক্সিংয়ের কারণে খেলার খ্যাতি কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়?

  • এটি খেলার জনপ্রিয়তা বাড়ায় এবং প্রায়শই সমর্থকদের মধ্যে উদ্দীপনা তৈরি করে।
  • এটি খেলারকারীদের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা বাড়ায়।
  • এটি খেলার খ্যাতি ক্ষুণ্ন করে এবং সেইখানে স্বচ্ছতার অভাব সৃষ্টি করে।
  • এটি খেলার জন্য একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করে এবং নতুন প্রবণতা নিয়ে আসে।


9. ম্যাচ ফিক্সিং প্রতিরোধের জন্য কি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে?

  • খেলায় বাজি ধরার নিয়ম শিথিল করা
  • খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স বাড়ানোর জন্য অনুপ্রেরণা প্রদান
  • দর্শকদের জন্য খেলার নেতৃত্ব পরিবর্তন করা
  • শক্তিশালী এন্টি-করাপশন নীতি বাস্তবায়ন

10. দর্শকরা ম্যাচ ফিক্সিং প্রতিরোধে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?

  • সন্দেহজনক আচরণ রিপোর্ট করা
  • খেলা দেখতে আসা
  • জনপ্রিয় প্লেয়ারদের সমর্থন করা
  • ম্যাচের হারানো দলের পক্ষে গলা বাড়ানো

11. খেলাধুলার শাসনে ম্যাচ ফিক্সিং প্রতিরোধে কি ভূমিকা রয়েছে?

  • ম্যাচ ফিক্সিং প্রতিরোধে ক্রীড়া শাসনের গুরুত্ব রয়েছে
  • ম্যাচ ফিক্সিং এথলেটদের পেশাগত নির্ভরতা বৃদ্ধি করে
  • ম্যাচ ফিক্সিং টিকিট বিক্রয়ে কোন প্রভাব ফেলে না
  • ম্যাচ ফিক্সিং ক্রীড়ার প্রতি জনগণের আগ্রহ বাড়ায়


12. প্রযুক্তি ম্যাচ ফিক্সিং প্রতিরোধে কিভাবে সাহায্য করে?

  • খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স বাড়ান।
  • উন্নত তথ্য বিশ্লেষণ, ভিডিও নজরদারি, এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মোড ব্যবহার।
  • পৃথক খেলার ফলাফল নিশ্চিত করা।
  • শুধু সত্ত্বাধিকারীদের নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি।

13. ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত ব্যক্তিদের জন্য আইনগত পরিণতি কী হতে পারে?

  • তাঁকে সসম্মানে বিদায় দেওয়া হবে।
  • তাঁকে আদালতে দণ্ডিত করা হতে পারে।
  • তাঁকে খেলায় ফিরে আসার অনুমতি দেওয়া হবে।
  • তাঁকে শুধুমাত্র সতর্ক করা হবে।
See also  ক্রিকেট কৌশলের উদ্ভাবন Quiz

14. ম্যাচ ফিক্সিংয়ের কারণে খেলোয়াড়দের মানসিক স্বাস্থ্য কিভাবে প্রভাবিত হয়?

  • এটি চাপ, উদ্বেগ এবং অপরাধবোধ সৃষ্টি করতে পারে।
  • এটি খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স উন্নত করে।
  • এটি প্রতিযোগিতার আনন্দ বাড়ায়।
  • এটি শক্তি এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে।


15. ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অর্থনৈতিক প্রভাব কী হতে পারে?

  • এটি খেলায় মজার অভাব সৃষ্টি করে।
  • এটি দলের, লিগের এবং স্পনসরদের জন্য উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে।
  • এটি দর্শকদের সংখ্যা বাড়ায়।
  • এটি খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত জীবনে কোনও প্রভাব ফেলেনা।

16. খেলা সংস্থাগুলি ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ বিষয়ক কিভাবে ব্যবস্থা নেয়?

  • তারা গভীর তদন্ত করে এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়।
  • তারা অভিযোগ দায়ের করে এবং আইনি ব্যবস্থা শুরু করে।
  • তারা খেলোয়াড়দের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
  • তারা অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নেয় এবং খেলা স্থগিত করে।

17. ম্যাচ ফিক্সিং প্রতিরোধে গোপন তথ্যদাতাদের ভূমিকা কী?

  • তারা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের বিষয়ে কোনো তথ্য সংগ্রহ করে না।
  • গোপন তথ্যদাতাদের কাজে লাগানো হয় খেলোয়াড়দের ঠকানোর জন্য।
  • গোপন তথ্যদাতারা ম্যাচ ফিক্সিং সন্দেগো তদন্তে সহায়তা করেন।
  • তথ্যদাতাদের কাজ শুধু ম্যাচ জিততে সহায়তা করা।


18. ম্যাচ ফিক্সিং খেলোয়াড়দের মনোবল কিভাবে প্রভাবিত করে?

  • প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপট পরিবর্তন করে
  • খেলোয়াড়দের হাঁটাচলার সক্ষমতা কমিয়ে দেয়
  • খেলোয়াড়দের মধ্যে বিশ্বাসের অভাব সৃষ্টি করে
  • খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে তোলে

19. ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি কী?

  • প্রশংসাপত্র
  • সময়বদ্ধ নিষেধাজ্ঞা
  • জরিমানা
  • স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা

20. খেলাধুলার সংস্থা কীভাবে খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফিক্সিং সম্পর্কে সচেতন করে?

  • খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ানো।
  • কর্মশালা, সেমিনার এবং নিয়মিত স্মরণ করিয়ে দেয়া।
  • সবগুলো ম্যাচে ড্যান্সিং অনুষ্ঠান করা।
  • বিদেশী বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করা।


21. ম্যাচ ফিক্সিং এবং খেলাধুলায় দুর্নীতির মধ্যে সম্পর্ক কী?

  • ম্যাচ ফিক্সিং খেলার প্রতি প্রেম তৈরি করে।
  • ম্যাচ ফিক্সিং সেবামূলক কর্মকাণ্ড।
  • ম্যাচ ফিক্সিং খেলাধুলায় দুর্নীতির একটি নতুন রূপ।
  • ম্যাচ ফিক্সিং একটি সুক্ষ্ম প্রতীক।

22. ম্যাচ ফিক্সিং কিভাবে প্রতিযোগিতার সামর্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে?

  • এটি খেলোয়াড়দের দক্ষতা বৃদ্ধি করে।
  • এটি প্রতিযোগিতার স্বচ্ছতা কমিয়ে দেয়।
  • এটি ম্যাচগুলির শাশ্বত পালন করে।
  • এটি ভক্তদের আত্মবিশ্বাস শক্তিশালী করে।

23. খেলার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্য কি পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে?

  • মারাত্মক শাস্তি আরোপ করা
  • শক্তিশালী অ্যান্টি-করাপশন নীতি প্রয়োগ করা
  • খেলোয়াড়দের আর্থিক পুরস্কার বৃদ্ধি করা
  • রেফারিদের ক্ষমতা সীমিত করা


24. দর্শকরা কিভাবে ন্যায্য খেলার উদ্যোগকে সমর্থন করে?

  • সন্দেহজনক আচরণ সম্পর্কে রিপোর্ট করা
  • খেলা শুরু হওয়ার আগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা
  • বিজয়ী দলের খেলা প্রশংসা করা
  • ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি

25. মিডিয়ার ম্যাচ ফিক্সিং কেলেঙ্কারি উদঘাটনে ভূমিকা কী?

  • সংগঠকদের তদন্ত প্রক্রিয়া
  • মিডিয়ার তদন্ত ও প্রকাশনা
  • দলের পরিবেশ উন্নয়ন
  • খেলোয়াড়দের পাবলিশ করা

26. ম্যাচ ফিক্সিং কিভাবে দর্শকদের আস্থাকে প্রভাবিত করে?

  • এটি দর্শকদের জন্য বিনোদন বৃদ্ধি করে।
  • এটি দর্শকদের অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
  • এটি দর্শকদের আরো আগ্রহী করে।
  • এটি দর্শকদের আস্থা কমিয়ে দেয়।


27. ম্যাচ ফিক্সিংয়ে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের মানসিক প্রভাব কী?

  • এটি খেলোয়াড়দের মধ্যে আনন্দ এবং আস্থা বাড়ায়।
  • এটি খেলোয়াড়দের মধ্যে মানসিক চাপ এবং দোষবোধ সৃষ্টি করে।
  • এটি খেলোয়াড়দের জন্য নতুন সাফল্যের সুযোগ সৃষ্টি করে।
  • এটি খেলোয়াড়দের অধিক মনোযোগ এবং ফোকাস বাড়ায়।

28. খেলাধুলার সংস্থা কীভাবে ম্যাচ ফিক্সিং সম্পর্কিত খেলোয়াড় misconduct পরিচালনা করে?

  • তারা শাস্তি ঘোষণা করে কিন্তু কোনো তদন্ত করে না।
  • তারা খেলোয়াড়দের সাথে চুক্তি করে এবং কিছু জানায় না।
  • তারা শুধুমাত্র অভিযোগ গ্রহণ করে এবং কিছু করেনা।
  • তারা তদন্ত পরিচালনা করে এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

29. ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ফলে ক্রীড়া কর্মকর্তাদের খ্যাতিতে কি প্রভাব পড়ে?

  • এটি গেমসের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ায়।
  • এটি ক্রীড়া কর্মকর্তাদের স্বীকৃতির জন্য সহায়ক।
  • এটি ক্রীড়ার খ্যাতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতি করে।
  • এটি খেলোয়াড়দের মধ্যে ভালবাসা সৃষ্টি করে।


30. খেলা সংস্থাগুলি কীভাবে নিশ্চিত করে যে রেফারিরা ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত নয়?

See also  ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পরিচিতি Quiz
  • রেফারিরা নিজেদের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে।
  • ম্যাচের পরে রেফারিরা সাধারণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করে।
  • কঠোর প্রশিক্ষণ, নিয়মিত মনিটরিং, এবং শাস্তিমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে।
  • খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলোচনা করে।

কুইজ সম্পন্ন!

আজকের কুইজ ‘ম্যাচ ফিক্সিং এবং দায়িত্ব’ সম্পন্ন করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ! এই কুইজটি আপনাকে ক্রিকেটের মৌলিক দিক এবং ম্যাচ ফিক্সিংয়ের বিষয়ে বিস্তৃত ধারণা দিয়েছে। আপনি জানলেন কীভাবে এটি খেলারIntegrityকে প্রভাবিত করে এবং খেলোয়াড়দের ও সংগঠনের প্রতি আমাদের দায়িত্ব কী।

এই কুইজের মাধ্যমে সম্ভবত আপনি উপলব্ধি করেছেন, ক্রিকেট শুধুই একটি খেলা নয়। এটি মূলত নৈতিকতা ও ক্রীড়া ন্যায়বিচারের একটি ক্ষেত্র। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের কারণে খেলাটির ক্ষতি হয়। এই ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতা ও শিক্ষা অপরিহার্য। আপনার অর্জিত জ্ঞানের ভিত্তিতে আপনি আরো চিন্তাভাবনা করতে পারবেন।

এবার, আমাদের সাইটের পরবর্তী বিভাগে যান। সেখানে ‘ম্যাচ ফিক্সিং এবং দায়িত্ব’ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য রয়েছে যা আপনার জ্ঞানের ক্ষেত্রকে আরো প্রসারিত করবে। আশা করি, আপনি সেখানে গিয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেখার সুযোগ পাবেন। ক্রিকেটের জগতে শিক্ষার কোন শেষ নেই!


ম্যাচ ফিক্সিং এবং দায়িত্ব

ম্যাচ ফিক্সিং: সংজ্ঞা এবং ধারণা

ম্যাচ ফিক্সিং হল খেলা বা প্রতিযোগিতার ফলাফলে জোরে প্রভাব ফেলার একটি অবৈধ প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় খেলোয়াড়, কোচ, বা কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ম্যাচের ফলাফল পূর্বনির্ধারণ করা হয়। খেলাধূলায় সঠিকতা এবং সততার অভাব ঘটায় এটি, যা সমর্থকদের প্রতি ক্ষতি করে। ফিক্সিংয়ের মাধ্যমে জুয়াড়িরা আর্থিক সুবিধা লাভ করে।

ক্রিকেটে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ইতিহাস

ক্রিকেটে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ইতিহাস দীর্ঘ এবং সংকটময়। ১৯৯০-এর দশকে পাকিস্তানি ক্রিকেটার আলি নিজার একটি ম্যাচ ফিক্সিং কাণ্ড সামনে আসে। ২০১১ সালে ভারতের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত একটি সিরিজেও ভারতীয় খেলোয়াড়দের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছিল। ২০১৩ সালের আইপিএলের ফিক্সিং কাণ্ডও এর অন্যতম উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনা।

ক্রিকেটের ক্ষেত্রে দায়িত্ব ও নৈতিকতা

ক্রিকেটে খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের নৈতিকতা ও দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিযোগিতার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে তাদের মনোভাব এবং আচরণ সঠিক হতে হবে। খেলোয়াড়দের সততা এবং স্বচ্ছতার প্রতি দায়িত্ববোধ রাখতে হবে। এটি কেবল তাদের নয়, খেলাধূলা সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য একটি দায়িত্ব।

ম্যাচ ফিক্সিং প্রতিরোধের উদ্যোগ

ম্যাচ ফিক্সিং প্রতিরোধে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ক্রিকেটের Governing Bodies যেমন ICC স্থায়ী মাধ্যমে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের বিরুদ্ধে নীতিমালা তৈরি করেছে। বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং কর্মশালার মাধ্যমে খেলোয়াড়দের সচেতন করা হয়। এছাড়া, রিপোর্টিং মেকানিজম গড়ে তোলা হয়েছে যাতে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড দ্রুত জানানো যায়।

ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িতদের শাস্তির ব্যবস্থা

ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। ICC ফিক্সিংয়ে জড়িত ব্যক্তিদের অেক্ষেপণ ও নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে। উদাহরণস্বরূপ, পাকিস্তানের সালমান বাট, শোয়েব আক্রম, এবং আমিররা ফিক্সিং কাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে দীর্ঘমেয়াদী নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছিলেন। এই শাস্তির মাধ্যমে সম্মানজনক ক্রিকেটের শৃঙ্খলা বজায় রাখা সম্ভব হয়।

ম্যাচ ফিক্সিং কী?

ম্যাচ ফিক্সিং হলো একটি অবৈধ প্রক্রিয়া, যেখানে খেলোয়াড়, কর্মকর্তাসহ অন্যরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত করে। এটি সাধারণত বেটিং সুবিধার জন্য করা হয়। আইসিসি (International Cricket Council) এর গবেষণায় দেখা যায়, বিশ্বব্যাপী ক্রিকেটে ম্যাচ ফিক্সিং একটি নিকৃষ্ট সমস্যা, যা খেলার স্বচ্ছতা বিপন্ন করে।

ম্যাচ ফিক্সিং কিভাবে ঘটে?

ম্যাচ ফিক্সিং ঘটে সাধারণত খেলোয়াড়রা যখন অর্থের জন্য একটি নির্দিষ্ট ফলাফল তৈরির জন্য সমঝোতা করেন। অনেক সময়, বেটিং চক্রের সদস্যরা খেলোয়াড়দের প্রভাবিত করে। ক্রিকেটের ইতিহাসে পাকিস্তানের সাত বিপন্ন খেলোয়াড়ের নাম উঠে এসেছে, যারা ২০১০ সালে একটি টেস্ট ম্যাচে ফিক্সিংয়ের জন্য দায়ী হয়েছিলেন।

ম্যাচ ফিক্সিং কোথায় ঘটে?

ম্যাচ ফিক্সিং ইভেন্টগুলো ঘটতে পারে যেকোনো দেশের ক্রিকেট ম্যাচে, বিশেষ করে যেসব দেশে বেটিং আইন শিথিল। ভারত ও পাকিস্তান এমন দেশ, যেখানে এই ধরনের ঘটনা বেশি ঘটে। ২০১২ সালে, ভারতের আইপিএল-এ ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ঘটনা চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল।

ম্যাচ ফিক্সিং কখন শুরু হয়েছিল?

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ প্রথমবার ১৯১০ সালের ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে উঠে আসে। পরে, ২০০০ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারতীয় খেলোয়াড় মোহন লীগ ম্যাচের কারণে ফিক্সিংয়ের ঘটনা প্রমাণিত হয়। এই ঘটনা ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য কে দায়ী?

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য প্রধানত খেলোয়াড়রা ও বেটিং চক্রের সদস্যরা দায়ী। আইসিসি ফিক্সিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর বিধি নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শাস্তির প্রক্রিয়া এবং খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ। যেমন, ২০১৬ সালে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ফিক্সিংয়ের বিরুদ্ধে শিক্ষামূলক কার্যক্রম চালু করে।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *